কুমিল্লার আরও দুটি উপজেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মুরাদনগরে দুজন ও মনোহরগঞ্জে একজনের দেহে এই ভাইরাস মিলেছে।
এই তিনজনসহ জেলায় নতুন করে মোট পাঁচজন করোনা 'পজিটিভ' হয়েছে। অন্য দুজন তিতাস ও দেবীদ্বার উপজেলার। এই পাঁচজন নিয়ে জেলায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪৪। শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ও জেলা করোনাবিষয়ক ফোকাল পারসন মো. সাহাদাত্ হোসেন।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে এখন ১৪টি উপজেলায় করোনা রোগী আছে। এর মধ্যে তিতাস উপজেলার নয়জন (বাবা ও মেয়েসহ) , দাউদকান্দির আটজন, বুড়িচংয়ের সাতজন (একই পরিবারের তিনজনসহ), চান্দিনার চারজন , দেবীদ্বারের তিনজন, বরুড়ার দুজন, লাকসামের দুজন, সদর দক্ষিণের দুজন, মুরাদনগরের দুজন এবং হোমনা, ব্রাহ্মণপাড়া, চৌদ্দগ্রাম ,মেঘনা ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার একজন করে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের দুজন মারা গেছেন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন বলেন, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলা থেকেই নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৪টি উপজেলার ৪৪ জন করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে । জেলায় অন্তত ৬০ লাখ বাসিন্দা আছেন। বিদেশ ফেরত ব্যক্তি আছেন অন্তত ১৫ হাজার। এ পর্যন্ত ১ হাজার ১০৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন এসেছে ৭৭৭ জনের।
সিভিল সার্জন মো. নিয়াতুজ্জামান বলেন, কুমিল্লার আদর্শ সদর, লালমাই ও নাঙ্গলকোট উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনার রোগী শনাক্ত হয়নি। জনসাধারণকে সামাজিক দুরত্ব মানতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে। অন্যদের সচেতন করতে হবে। আক্রান্ত সবাইকে বাড়িতে সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।