হাইকোর্ট
হাইকোর্ট

হাইকোর্টে রিট

৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল কেন কোটামুক্তভাবে পুনর্মূল্যায়ন করে প্রকাশ নয়

৩৮তম বিসিএসে ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের চূড়ান্ত ফলাফল কেন কোটামুক্তভাবে বা মেধার ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়ন করে প্রকাশ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ রুল দেন।

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ও জনপ্রশাসন সচিবসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

৩৮তম বিসিএসের কোটাপদ্ধতি অনুসরণের বৈধতা নিয়ে ১২০ জন পরীক্ষার্থী চলতি মাসে ওই রিট করেন। রিটে ৩৮তম বিসিএসে ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের চূড়ান্ত ফলাফল কোটামুক্তভাবে বা মেধার ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়ন করে প্রকাশের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শামীমা সুলতানা।

রুলের বিষয়টি জানিয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৭ সালের ২০ জুন ৩৮তম বিসিএস এবং ২০১৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ৪০তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে তৎকালীন সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোটাপ্রথা বাতিল করে। তিনি বলেন, কোটাপদ্ধতি বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারির পর ৩৮তম বিসিএস এবং ৪০তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। তবে ৩৮তম বিসিএস ও ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি কোটা বাতিলের আগে জারি করা হলেও ৪০তম বিসিএসে কোটাপদ্ধতি প্রয়োগ না করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু ৩৮তম বিসিএসে কোটাপদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, যাতে অনেক মেধাবী পরীক্ষার্থী নিয়োগ বঞ্চিত হন। যে কারণে ১২০ পরীক্ষার্থী সংক্ষুব্ধ হয়ে রিটটি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত ওই রুল দেন।