
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গলা ও হাত-পায়ের রগ কাটা এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রামের একটি সবজিখেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
ওই নারীর নাম জান্নাতুল ফেরদাউস ওরফে পাখি (৩০)। তিনি দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে থাকতেন। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর প্রায় চার বছর ধরে জান্নাতুল তাঁর ছয় বছরের মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন।
নিহত জান্নাতুল ফেরদাউসের ভাই মো. জাকারিয়া জানান, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে জান্নাতুল তাঁর বড় বোনের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাত আটটার পর থেকে জান্নাতুলের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর কোনো খোঁজ পায়নি।
পরে আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি একটি উঁচু সবজিখেতে একটি গলাকাটা লাশ পড়ে থাকার খবর পান তাঁরা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, সেখানে তাঁর বোনের লাশ পড়ে আছে। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
জানতে চাইলে সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী মো. সুলতান আহছান উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ঘাতকেরা মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য ওই নারীর গলাকাটার পর হাত-পায়ের রগ কেটেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতাহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় ওই নারীর কানে ও হাতে স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, নিহত জান্নাতুল ফেরদাউসের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।