বিনিয়োগকারীদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ দেওয়া হবে নগদ লভ্যাংশ আকারে; আর বাকি ৫ শতাংশ দেওয়া হবে বোনাস লভ্যাংশ হিসেবে।
গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হওয়া সর্বশেষ হিসাববছরের জন্য শেয়ারধারীদের এ লভ্যাংশ দেবে ব্যাংকটি।
সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আজ রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে নিয়ম অনুযায়ী আজ ব্যাংকটির শেয়ারের দামের উত্থান-পতনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সীমা আরোপ থাকছে না।
গত ২০২২ সালেও বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল আল-আরাফাহ্ ব্যাংক। এর মধ্যে নগদ লভ্যাংশ ছিল ১২ শতাংশ; বাকি ৩ শতাংশ ছিল বোনাস লভ্যাংশ।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ হিসাববছরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা; যা ২০২২ সালে ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা। অর্থাৎ ১ বছরে ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ।
সমাপ্ত হিসাববছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২২ টাকা ৬৩ পয়সা। এটি ২০২২ সালে ছিল ২২ টাকা ৯ পয়সা। এ ছাড়া গত বছর ব্যাংকের নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো পার শেয়ার বা শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ হয়েছে ৫০ পয়সা; যা এর আগের বছর ছিল ৯ টাকা ৯৮ পয়সা।
ব্যাংকটি জানিয়েছে, সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত (ব্যাংক ব্যতীত) কমাসহ কিছু কারণে এ বছর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ কমেছে। আর আগের বছরের তুলনায় আলোচ্য বছরে বিনিয়োগের বিপরীতে মোট প্রভিশন কমে যাওয়ায় গত বছরে ইপিএস বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য আগামী ১৮ আগস্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বিনিয়োগকারীরা লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন করবেন। এ জন্য আগামী ৯ জুন রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।