
২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কবে হবে সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। কোভিড-১৯ এর ফলে এ বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২১ সালেও হতে পারে। আর সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপের হ্যাটট্রিক দেখার সৌভাগ্য হয়ে যাবে ক্রিকেটের। কারণ, ২০২২ ও ২০২৩ সালে যে আরও দুটি বিশ্বকাপ আয়োজনের অপেক্ষায় ক্রিকেট।
২০২২ সালের আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে। দুটি টুর্নামেন্টেরই আয়োজক ভারত। নিজেদের মাটিতে সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদটা তাজা বলেই হয়তো আগামী তিন বছরে অন্তত দুটি বিশ্বকাপ জয়ের আশা করছেন দলটির সংক্ষিপ্ত দুই সংস্করণের সহঅধিনায়ক রোহিত শর্মা।
করোনাভাইরাসের প্রকোপে ভারত ও পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের গোপন এক 'প্রতিভা'র কথা জানা গেছে এতদিনে। আর তা হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যস্ত থাকা। প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব বা ফেসবুকে লাইভে আসছেন। হরভজন সিংয়ের সঙ্গে এমন এক লাইভ সেশনেই বিশ্বকাপ জয়ের আশাবাদ শোনালেন রোহিত, 'আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য হলো আগামী তিন বিশ্বকাপের অন্তত দুটি জেতা।'
২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর আন্তর্জাতিক কোনো ট্রফি জেতেনি ভারত। এর মাঝে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে উঠেও হারতে হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে। তবে রোহিতকে পোড়াচ্ছে সর্বশেষ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে হারের ব্যর্থতা, 'আমরা যদি প্রথম আধা ঘন্টায় উইকেট না হারাতাম (বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে), ম্যাচটা আমরা জিততেও পারতাম। ওই ১০ ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।'
বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ মিডল অর্ডার। চারে নামার জন্য স্থায়ী কাউকে বেছে নিতে পারেনি ভারত। রোহিত ও কোহলির বাজে দিনে একজন ভালো ব্যাটসম্যানের প্রয়োজন সেদিন ভালোভাবেই টের পেয়েছিল ভারত। রোহিত এ ব্যাপারেও নিজেদের করণীয় ঠিক করে নিয়েছেন, 'তরুণদের সমর্থন দেওয়ার কথা সব সময় বলি, যাতে তারা দলে থিতু হতে পারে। অধিনায়ক ও কোচের ওপর অনেক চাপ থাকে যেন তারা সঠিক খেলোয়াড় বেছে নেয় এবং তাদের সমর্থন দেয়।'