যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। ২২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ইউসুফ আলী নামের এক বাংলাদেশি মারা যান। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড–১৯ রোগে এ পর্যন্ত ১৯০ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে করনাভাইরাস শনাক্তে প্রায় ১৪ শতাংশ বাসিন্দার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বলছেন, প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার লোকের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। নিউইয়র্কে এখন করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি নিয়ে জরিপ করা হচ্ছে।
অঙ্গরাজ্য গভর্নর জানিয়েছেন, দু দিনে অঙ্গরাজ্যের প্রায় তিন হাজার লোকজনের ওপর এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ১৯টি কাউন্টির ৪০টি গ্রোসারি দোকান থেকে অ্যান্টিবডির এ পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় নিউইয়র্ক নগরীর ২১ দশমিক ২ শতাংশ মানুষের শরীরে ভাইরাসটি প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, অনেক লোকই নিজের অজান্তে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আবার নিজে থেকে সেরে উঠেছে। এরাই নিজের অজান্তে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে ঝুঁকিপূর্ণদের মধ্যে।
তথ্য বিশ্লেষণ করে বলা হচ্ছে. ভাইরাসের সংক্রমণের অনুপাতে মৃত্যুর আশঙ্কা যেভাবে করা হয়েছিল সেভাবে হয়নি । মোট আক্রান্তের মধ্যে দশমিক ৫ শতাংশের মৃত্যু ঘটেছে।
সব মিলিয়ে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত করোনায় নিউইয়র্কে আরও ৪১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিউইয়র্কে মৃত্যুর সংখ্যা যেভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছিল, তেমনটি এখনো হচ্ছে না। তবে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ক্রমশই কমছে। আক্রান্তদের মধ্যে আইসিইউতে যাওয়া রোগীর সংখ্যাও কমছে। যদিও টেস্টিং সুবিধা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপকসংখ্যক মানুষের শরীরে ভাইরাসটির অস্তিত্ব শনাক্ত হচ্ছে।
গভর্নর ও মেয়র দুজনই বলছেন, 'আমাদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতার চর্চা কঠিনভাবে অনুসরণ করে যেতে হবে। এর মাধ্যমেই ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।'