দক্ষিণ সিটির নিয়ন্ত্রণকক্ষে ৪ ঘণ্টায় ২৪ অভিযোগ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণকক্ষে বসে সার্বিক তদারকি করছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।
ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশার লার্ভা চিহ্নিত করার পর প্রজননক্ষেত্র তথা উৎস নিধনের লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গঠিত নিয়ন্ত্রণকক্ষে চার ঘণ্টায় নাগরিকদের ২৪টি অভিযোগ এসেছে।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আজ সোমবার সকাল নয়টা থেকে এই নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করেছে। বেলা একটা নাগাদ দক্ষিণ সিটির বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৪টি অভিযোগ এসেছে বলে জানা গেছে।

আজ দুপুরে দক্ষিণ সিটির মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের প্রথম আলোকে বলেন, মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস নিয়ন্ত্রণকক্ষে বসে সার্বিক তদারকি করছেন। নাগরিকদের কাছ থেকে অভিযোগ আসার পর মেয়র নিজেই বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংশ্লিষ্ট মশকনিধন কর্মীদের ফোন করে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শেষে আজ নগর ভবনে এসেই নিয়ন্ত্রণকক্ষে যান মেয়র তাপস। সেখানে কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের কাছে নগরবাসীর কতগুলো অভিযোগ এসেছে, সে বিষয়ে জানতে চান তিনি। পরে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ফোন করে সেখানে ওষুধ ছিটানোর নির্দেশনা দেন তিনি।

বর্ষা মৌসুম শুরুর পর রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে গত শনিবার সকাল আটটা থেকে গতকাল রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত দেশে ২৩৭ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে ঢাকাতেই ভর্তি হয়েছেন ২১৮ জন।

দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের জানান, সংস্থার প্রধান কার্যালয় নগর ভবনের শীতলক্ষ্যা হলে একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করা করা হয়েছে। মশার লার্ভাসংক্রান্ত তথ্য জানাতে নাগরিকদের জন্য দুটি টেলিফোন নম্বর চালু করা হয়েছে। নম্বর দুটি হলো—০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২৯৫৫৬০১৪। এই দুটি নম্বরে নাগরিকেরা মশার লার্ভার তথ্য সিটি করপোরেশনকে জানালে নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমে সেখানে মশার ওষুধ ছিটানো হবে।

এর বাইরে দক্ষিণ সিটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে www.dscc.gov.bd থাকা নির্ধারিত ফরমে মশার লার্ভার তথ্য জানানো যাবে।

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। তার ধারাবাহিকতায় নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।