নব্য জেএমবির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গতকাল রোববার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন শফিকুর রহমান হৃদয় ওরফে বাইতুল্লাহ মেহসুদ ওরফে ক্যাপ্টেন খাত্তাব এবং খালিদ হাসান ভূঁইয়া ওরফে আফনান। তাঁদের মধ্যে খালিদ হাসান বোমা তৈরির অন্যতম কারিগর। আসামিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়েছে।
আজ সোমবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১১ জুলাই সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সোয়াত টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার নোয়াগাঁও এলাকা থেকে নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুনকে বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বোমা তৈরির অন্যতম কারিগর শফিকুর ও খালিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান জানান, গত ১৬ মে নব্য জেএমবির আমির মাহাদী হাসান জন ওরফে আবু আব্বাস আল বাঙ্গালীর নির্দেশে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড ট্রাফিক বক্সে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায়। তবে ক্রটিপূর্ণ রিমোটের কারণে কয়েকবার চেষ্টা করেও বোমাটি বিস্ফোরিত হয়নি। ব্যর্থ হয়ে তাঁরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন এবং রিমোটটি রাস্তার পাশে ফেলে চলে যান। পরে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে। এ ঘটনার সঙ্গে আসামি শফিকুর রহমান ও খালিদ হাসান ভূঁইয়া জড়িত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, মাহাদী হাসান জনের নেতৃত্বে শফিকুর রহমান নব্য জেএমবির সামরিক শাখার ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শফিকুর ও খালিদ বোমা তৈরির ম্যানুয়াল ও ভিডিও দেখে বোমা তৈরির অনলাইন প্রশিক্ষক ফোরকানের তত্ত্বাবধানে আবদুল্লাহ আল মামুনের কক্ষে হামলায় ব্যবহৃত আইইডি তৈরি করেন।

সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের উপকমিশনার আব্দুল মান্নানের তত্ত্বাবধানে এডিসি রহমত উল্লাহ চৌধুরী ও এসি মাহমুদুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।