কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করোনা শনাক্ত ৪৮০ জনের, মৃত্যু ৭

করোনাভাইরাস
প্রতীকী ছবি

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা হাসপাতালে ৯ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে করোনায় সাতজন ও এর উপসর্গ নিয়ে দুজন মারা যান। গতকাল রোববার সকাল আটটা থেকে আজ সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরা মারা যান। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল (করোনা হাসপাতাল) সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, জেলায় ১ হাজার ১২৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৮০ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৭৬ জন, কুমারখালীতে ১৪০ জন, দৌলতপুরে ৪২ জন, ভেড়ামারায় ২৫ জন, মিরপুরে ৬৬ জন ও খোকসাতে ৩১ জন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত ৪২ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

করোনা হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে ৯ জন মারা যান। তাঁরা করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতালের ২০০ শয্যার বিপরীতে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২২৬ জন। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত রোগী ১৭৯ জন। অন্যরা করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। ৭০ শতাংশ রোগীর অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৬।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবির প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের সময় ঢাকার অনেক বাসিন্দা গ্রামে আসেন। গ্রামের মানুষের সঙ্গে তাঁরা চলাফেরা করেন। এর প্রভাবে এখন করোনা শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর চিকিৎসা নিতে দেরি করায় মৃতের সংখ্যাও ঊর্ধ্বমুখী। এখনই গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিয়ে দ্রুত অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করানো উচিত। করোনা সংক্রমিত ব্যক্তিদের প্রথম পর্যায়েই চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।