বন্ধুর ডাকে গেলেন জন্মদিনের দাওয়াতে, পরে মিলল লাশ
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কৃষিখামারে পড়ে ছিল ছুরিকাঘাতে নিহত মো. নাঈম আহমদ (২০) নামের এক তরুণের লাশ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সিলেটের খাদিমনগর বিএডিসি কৃষিখামারের ভেতরে স্লুইসগেটের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত নাঈম আহমদ শাহপরান পাঁচঘড়ির মোহাম্মদপুর এলাকার নিজামুদ্দিনের ছেলে। তিনি মিস্ত্রির কাজ করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সিএনজিচালিত এক অটোরিকশাচালকের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাঁর বুক, পিঠ ও হাতে আটটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে অজ্ঞাত হিসেবে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় নিহত তরুণের শরীরের ট্যাটু দেখে তাঁর নাম নাঈম জানা গেলেও বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা মুঠোফোন থেকে কল দিয়ে স্বজনদের কাছে বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়।
নিহত তরুণের বোন রুজি বেগমের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল বেলা দুইটার দিকে নাঈমকে তাঁর বন্ধু রাব্বি ও সবুজ জন্মদিনের দাওয়াত দেন। তিনি সেই দাওয়াতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর ঘরে ফেরেননি।
বিএডিসি প্রহরীর দেওয়া তথ্যে পুলিশ জানতে পারে, চার তরুণ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কৃষিখামারে ঢুকেছিলেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন, নিহত তরুণের শরীরে আটটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।