বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে লঞ্চে ভিড়, ফেরিতে যাত্রী স্বাভাবিক
মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে ঢাকামুখী যাত্রীদের লঞ্চে ভিড় দেখা গেছে। তবে ফেরিগুলোয় যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক। আজ সোমবার সকাল থেকে এই নৌপথে এমন পরিস্থিতি চোখে পড়ে।
বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ফেরিঘাট সূত্রে জানা যায়, পোশাকশ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপারের জন্য এই নৌপথে ১০টি ফেরি ও ৮৭টি লঞ্চ গতকাল রোববার ভোর থেকে চলাচল করছে। লঞ্চগুলো আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলার কথা ছিল। এদিকে পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকায় শিমুলিয়া থেকে ফেরিগুলো বাংলাবাজার ঘাটে আসতে প্রায় দ্বিগুণ সময় চলে যাচ্ছে। এতে ফেরিগুলো যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
‘বরিশাল থেকে সকালে বাস ছাড়ে নাই। অনেক বেশি ভাড়া দিয়া মাহিন্দ্রতে করে ঘাটে আসছি। ২০০ টাকার ভাড়া দিলাম ৬০০ টাকা।’
আজ দুপুরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বাংলাবাজার লঞ্চঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন বলেন, যাত্রীর বেশি চাপ থাকায় লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছিল। তবে আজ দুপুর ১২টার পরে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নতুন করে ঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছাড়া হচ্ছে না।
লঞ্চের যাত্রী পোশাকশ্রমিক সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘বরিশাল থেকে সকালে বাস ছাড়ে নাই। অনেক বেশি ভাড়া দিয়া মাহিন্দ্রতে করে ঘাটে আসছি। ২০০ টাকার ভাড়া দিলাম ৬০০ টাকা।’
‘এত ভিড় ঠেইলা লঞ্চে কি মানুষ যাইতে পারে? সরকার আমগো মানুষ মনে করে না। করলে আইজ এমন পরিণতি হইতো না’—এমন মন্তব্য করেন ঢাকামুখী পোশাকশ্রমিক কাদের ব্যাপারী।
বিআইডব্লিউটিএ বাংলাবাজার লঞ্চঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গত দুদিনের তুলনায় আজ ভিড় কম। ফেরিতে যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক আছে। লঞ্চে কিছুটা ভিড় আছে। লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ফেরিতে আবার যাত্রীর চাপ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ঘাটে যানবাহনের চাপ তেমন নেই। ৩০টির মতো ছোট গাড়ি আর ১৫০টি মতো পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান পারাপারের অপেক্ষায় আছে।