বাংলা ১ম পত্র: সহপাঠ
উপন্যাস: লালসালু
১. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়— ১৯৬৮ সালে।
২. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘নয়নচারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়—১৯৪৬ সালে।
৩. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসটি অনূদিত হয়— ফরাসি ও ইংরেজি ভাষায়।
৪. ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ বলা হয়েছে—শস্যহীন বলে।
৫. মজিদের শারীরিক গড়ন—শীর্ণকায়।
৬. মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ উন্মোচিত হয়েছে— মিথ্যাচার চরিত্রে।
৭. বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানুষ আসতে লাগে— মাজারে মানত করতে।
৮. মজিদ ভয় দেখেছে— রহিমার চোখে।
৯. দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে—কলমা জানে না তাই।
১০. মজিদের শক্তির মূল উৎস—মাজার।
১১. মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ হলো— রহিমার চরিত্রটি।
১২. ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা গিয়েছিল—মজিদের বাড়িতে।
১৩. ঝড় এলে হাসুনির মায়ের অভ্যাস ছিল—হইচই করা।
১৪. মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে চেয়েছিল—তামাক।
১৫. মজিদ হাসুনির মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল—বেগুনি রঙের।
১৬. মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায়—অন্য পীরদের আধিপত্য।
১৭. ‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’। পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে— মজিদকে।
১৮. আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল —মা হওয়ার আশায়।
১৯. মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা ছিল—নাটকীয়।
২০. জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার যে অসংগতির শিকার— বাল্যবিবাহ।
২১. খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল— ছেলের মৃত্যুতে।
২২. ‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে—ডোমপাড়া।
২৩. যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল—খ্যাংটা বুড়ির।
২৪. মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিল, তার তদারকির দায়িত্ব ছিল—রহিমা ও জমিলার।
২৫. জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল— মজিদ।
২৬. এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে— সিংহের।
২৭. মজিদের মুখে থুতু ফেলেছিল— জমিলা।
২৮. ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ রয়েছে—বালা।
২৯. সহজ প্রাণধর্মের উজ্জ্বল প্রতীক—জমিলা।
৩০. গ্রামবাসীর অন্তর জর্জরিত হয়ে ওঠে—অনুশোচনায়।
৩১. মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়—রহিমার ওপর।
৩২. বুড়ো, হাসুনির মাকে বেধড়ক প্রহার করে—ঘরের কথা মজিদকে বলায়।
৩৩. মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ করতে সক্রিয় ছিল—ধর্ম।
৩৪. মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল—মতিগঞ্জের সড়কের ওপর।
৩৫. আমেনা বিবির প্রতি মজিদের যে দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে—লালসা।
৩৬. খালেক ব্যাপারীর সামনে বসে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে—ধলা মিঞা।
৩৭. শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে—জমিলার চোখ।
৩৮. ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুতু নিক্ষেপে প্রকাশ পেয়েছে— ক্রোধ।
৩৯. মজিদ পূর্বে যেখানে বাস করত—গারো পাহাড়ে।
৪০. মজিদের দুদু মিঞাকে শাসনের মধ্যে নিহিত—আধিপত্য বিস্তার।
৪১. রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে—হাসুনির মা।
৪২. প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বউয়ের স্বপ্ন দেখত—হাসুনির মায়ের মতো।
৪৩. ঢেঙা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সুরা পাঠ করেছিল— সুরা আন-নুর।
৪৪. ‘বতর’ শব্দের অর্থ— ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।
৪৫. ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ আরজিটি করেছিল— হাসুনির মা।