এক কিলোমিটার দীর্ঘ হাট, দিনে কোটি টাকার পান বেচাকেনা

ভারতবর্ষে পানের ইতিহাস বহু পুরোনো। গৃহস্থ ঘর থেকে রাজদরবার, পানের কদর সবখানেই। কাল গড়ালেও কমেনি পানের আবেদন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে। বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের টরকী বাসস্ট্যান্ড–সংলগ্ন নীলখোলায় বসে পানের হাট। প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই হাটে প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন চলে। টরকী বাজারে সপ্তাহের পাঁচ দিন (বৃহস্পতি ও সোমবার ছাড়া) চলে এই বিশাল বাণিজ্য। চারটি থানার মানুষের জীবন-জীবিকা এই বাজারের ওপর নির্ভরশীল। আড়তদারদের দেওয়া তথ্য অনুসারে, এই হাটে বছরে ব্যবসার পরিমাণ ২৫০ থেকে ৪০০ কোটি টাকা।

১ / ৯
টরকীর পানের হাটে আড়তগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে হাঁকডাক
২ / ৯
মৌসুমে প্রতিটি আড়তে ২০–২৫ জন শ্রমিক পানের মান যাচাই ও গোছানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন
৩ / ৯
‘গন্ডা’, ‘পণ’ কিংবা ‘বিড়া’—আদিকালের এই হিসাব এখনো চলে টরকীর পানের হাটে
৪ / ৯
১ গন্ডায় ৪টি পান, ১ পণে ২০ গন্ডা বা ৮০টি পান, ১ বিড়ায় ৭২ থেকে ১০০টি পান হিসাব করা হয়
৫ / ৯
মহাসড়কের দুই পাশে সারি সারি ১৩টি বড় আড়ত—গাউছিয়া, মোহাম্মাদী, সোনার মদিনা, এলাহী, শাহজালাল—সব জায়গাতেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে কেনাবেচা
৬ / ৯
একটি অঞ্চলের নয়, বরং পুরো দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখে টরকীর পানের হাট
৭ / ৯
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরের নীলখোলা এলাকায় পানের আড়ত থেকে পান কিনে নেওয়া হচ্ছে ভ্যানে
৮ / ৯
পানের ব্যবসা ঘিরে এই এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা রয়েছে সচল
৯ / ৯
টরকীর লঞ্চঘাট একসময় ছিল জমজমাট। সেই ঘাটের ১৫ কদম দূরেই যেখানে আজকের কাঠপট্টি, সেখানেই একসময় জমজমাট ছিল পানের আড়ত। এখন আড়তগুলো চলে এসেছে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের কাছে