উত্তর–পূর্বাঞ্চলের অনেক জেলায় বন্যা

দেশের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের অনেক জেলাই বন্যায় ভাসছে। বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে পথঘাট, বিপাকে মানুষ। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙে পড়েছে যোগাযোগব্যবস্থা। কিছু এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে।

১ / ১০
অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের জুড়ী-বটুলি শুল্ক স্টেশন সড়কের বিভিন্ন স্থান তিন-চার ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। আশপাশের বাড়িঘরেও পানি উঠেছে। গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ স্থানে ছুটছে মানুষ। রানীমোড়া, মৌলভীবাজার, ১৯ জুন
ছবি: কল্যাণ প্রসূন
২ / ১০
তিস্তার ভাঙনে বিলীন হয়েছে ৩০ বছরের গোছানো আওরঙ্গজেব নওশাদ ও মকসুদা বেগমের ভিটেমাটি। পড়ন্ত বিকেলে মায়ায় জড়ানো ভিটেমাটির শেষ সম্বলটুকু নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাচ্ছেন। ইচলি, গঙ্গাচড়া, রংপুর, ১৯ জুন
ছবি: মঈনুল ইসলাম
৩ / ১০
পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনার পানি বেড়ে জলকপাট দিয়ে বাঙ্গালী নদীতে পড়ছে। পার দেবডাঙ্গা এলাকা, সারিয়াকান্দি উপজেলা, বগুড়া, ১৯ জুন
ছবি: সোয়েল রানা
৪ / ১০
নীলফামারীর তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তিস্তা ব্যারাজ, নীলফামারী, ১৯ জুন
ছবি: প্রথম আলো
৫ / ১০
বন্যায় তলিয়ে গেছে সিলেটের অনেক এলাকা। সালুটিকর, গোয়াইনঘাট, সিলেট, ১৯ জুন
ছবি: আনিস মাহমুদ
৬ / ১০
জামালপুরের পশ্চিম বলিয়াদহ-আমতলা সড়কের ওপর দিয়ে বইছে পানির স্রোত। পশ্চিম বলিয়াদহ, ইসলামপুর, জামালপুর, ১৯ জুন
ছবি: প্রথম আলো
৭ / ১০
কুড়িগ্রামের কিছু এলাকার ঘরবাড়ি বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। কুড়িগ্রাম, ১৯ জুন
ছবি: প্রথম আলো
৮ / ১০
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ও ভারী বর্ষণে গাইবান্ধায় বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কুন্দেরপাড়া, কামারজানি, গাইবান্ধা, ১৯ জুন
ছবি: প্রথম আলো
৯ / ১০
নেত্রকোনার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরে পানি কমতে শুরু করেছ। পানির স্রোতে দুর্গাপুর উপজেলার দেড় শতাধিক বাড়িঘর ভেঙে গেছে। চণ্ডীগড়, দুর্গাপুর, নেত্রকোনা, ১৯ জুন
ছবি: প্রথম আলো
১০ / ১০
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার কর্নেল বাজারসংলগ্ন আইড়ল অংশে হাওড়া বাঁধ ভেঙে উপজেলার সঙ্গে চার গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তলিয়ে যাওয়া তুলাইশিমুল খারকুট সড়কের ওপর এলাকার মানুষ মাছ ধরছে। আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১৯ জুন
ছবি: শাহাদৎ হোসেন