- বাংলাদেশের জয়...
- হঠাৎ শামীম ঝড়
- নো লুক ছক্কা!
- ক্যামিও খেলে ফিরলেন পারভেজ
- হৃদয়+ পারভেজ
- তানজিদ ফেরার পর ঝড়ের ইঙ্গিত
- যেভাবে ফিরলেন লিটন
- সাইফ ফিরলেন ১৭ রানে
- বল বয়ের ক্যাচ মিস!
- রানের চাকা আটকানোর চেষ্টা
- অভিষেকে ভালো শুরু ফিশারের
- শরীফুলের মতোই শুরু স্মিথের
- রিশাদ যা বললেন
- ১৮২ রানে থামল নিউজিল্যান্ড
- কেলি ফিরলেন শরীফুলের বলে
- আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ
- মেহেদীর শিকার ফক্সক্রফট
- এবার উইকেট তানজিমের
- ক্লার্ককেও ফেরালেন রিশাদ
- রিশাদের ঘটনাবহুল ওভার
- নিউজিল্যান্ডের ৫০
- রান আউটে প্রথম উইকেট
- ফিরলেন ‘বল বয়’রা
- রিপনের ‘নতুন অভিষেক’
- তিন পেসার, দুই স্পিনার
- টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
- টি–টুয়েন্টি সিরিজে স্বাগত
বাংলাদেশের জয়...
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮২ রান তাড়া করে দারুণ জয় পেল বাংলাদেশ। টানা ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপর্যয়ে ছিল, সেই সময়ে পাল্টা আক্রমণ করে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন হৃদয়,পারভেজ ও শামীম। টি–টুয়েন্টিতে ঘরের মাঠে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।
২৭ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত ছিলেন হৃদয়। শামীম অপরাজিত ১৩ বলে ৩১ রানে। এর আগে পারভেজ ১৪ বলে ২৮ রান করে আউট হয়েছেন।
১৮৩ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না। উইকেট হারায়নি, তবে দ্রুত রানও তুলতে পারেনি। প্রথম ১০.১ ওভারে ৩ উইকেটে বাংলাদেশের রান ছিল ৭৭।
এরপরই হৃদয় আর পারভেজ খেলার চেহারা পাল্টে দেন। তানজিদকে ফেরানো সোধির সেই ওভার থেকে তোলেন ১৮। এই জুটি থেকে আসে ২৮ বলে ৫৭ রান। পরে হৃদয়ের সঙ্গে শামীমের জুটি থেকে এসেছে ২১ বলে ৪৯ রান।
বাংলাদেশ ইনিংস: ১৮ ওভারে ১৮৩/৬ (হৃদয় ৫১*, শামীম ৩১, পারভেজ ২৮; সোধি ২/৪০)
নিউজিল্যান্ড ইনিংস: ২০ ওভারে ১৮২/৬ (ক্লিভার ৫১, ক্লার্ক ৫১, কেলি ৩৯, ক্লার্কসন ২৭*; রিশাদ ২/৩২, মেহেদী ১/৩১, শরীফুল ১/৩৬, তানজিম ১/৪০)।
ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: তাওহিদ হৃদয়
হঠাৎ শামীম ঝড়
বাংলাদেশ: ১৭ ওভারে ১৭৮/৪
ফিশারের করা ইনিংসের ১৭তম ওভার থেকে রান এল ২৫। এই ওভারেই নিউজিল্যান্ড ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে। দারুণ ব্যাটিং করছেন হৃদয় ও শামীম। বাঁহাতি শামীম এই ওভারেই মেরেছেন তিন চার ও এক ছক্কা। জয়টা এখন সময়ের ব্যাপার।
২৬ বলে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটি পেলেন হৃদয়। তাঁর ব্যাটিংটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
নো লুক ছক্কা!
বাংলাদেশ: ১৬ ওভারে ১৫৩/৪
জয়ের জন্য ২৪ বলে ৩০ রান দরকার বাংলাদেশের।
স্মিথের করা ১৬ তম ওভারের চতুর্থ বলে উইকেটকিপারের মাথার ওপর দিয়ে ‘নো লুক’ শটে ছক্কা মারেন শামীম। ওভারের শেষ বলে মিডউইকেট দিয়ে ছক্কা মারেন হৃদয়।
হৃদয় ২২ বলে ৪৬ ও শামীম ৪ বলে ৯ রানে অপরাজিত।
ক্যামিও খেলে ফিরলেন পারভেজ
বাংলাদেশ: ১৫ ওভারে ১৩৫/৪
১৪ বলে ২৮ রান করে আউট হলেন পারভেজ। তাতে হৃদয়ের সঙ্গে তাঁর ৫৭ রানের জুটিও ভাঙল।
হৃদয় অপরাজিত ১৯ বলে ৩৭ রানে। ৫ ওভারে বাংলাদেশের রান দরকার ৪৮।
হৃদয়+ পারভেজ
বাংলাদেশ: ১৪ ওভারে ১২৫/৩
চতুর্থ উইকেট জুটিতে ২৩ বলে ৪৮ রান তুলেছেন হৃদয়–পারভেজ। এই দুজনের পাল্টা আক্রমণে রান তাড়ায় বাংলাদেশ এখন সঠিক পথেই আছে।
৬ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ৫৮ রান, হাতে ৭ উইকেট।
তানজিদ ফেরার পর ঝড়ের ইঙ্গিত
বাংলাদেশ: ১১.৩ ওভারে ১০৪/৩
সোধি টু তানজিদ হাসান, আউট!
লং অফে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন তানজিদ হাসান! পুরো ইনিংস জুড়েই বেশ ধুঁকছিলেন। আউট হয়েছেন ২৫ বলে ২০ রান করে।
সোধির অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে ঝুলিয়ে দেওয়া লেংথ বলে লং অফে ক্যাচ দিয়েছেন তানজিদ।
ওভারের প্রথম বলে তানজিদ আউট হলেও সোধির এই ওভার থেকে এসেছে ১৮ রান। পাঁচ নম্বরে উইকেটে এসেছেন পারভেজ হোসেন। পরের ওভারের তৃতীয় বলেও হৃদয় মেরেছেন দারুণ এক ছক্কা।
যেভাবে ফিরলেন লিটন
বাংলাদেশ: ৯ ওভারে ৬৬/২
ইশ সোধির করা ইনিংসের নবম ওভারের প্রথম চার বলে লিটন নিয়েছিলেন ১০ রান। তবে ওভারের পঞ্চম বলে হলেন বোল্ড।
সোধির মিডল স্টাম্প বরাবর লেংথ বলটি পুল করতে চেয়েছিলেন লিটন। কিন্তু বল নিচু হয়ে আসায় ব্যাটে না লেগে সরাসরি মিডল স্টাম্পে আঘাত করে।
লিটন আউট হয়েছেন ২১ রান করে। ৯ ওভারে বাংলাদেশের রান ৬৬, করতে হবে ১৮৩ রান।
সাইফ ফিরলেন ১৭ রানে
বাংলাদেশ: ৬ ওভারে ৪৪/১
ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন সাইফ। নাথান স্মিথের অফ স্টাম্পের ওপর লেংথ ডেলিভারিতে সাইফ বড় শট খেলার চেষ্টায় ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়েছেন। পাওয়ার প্লেতে রান উঠেছে ৪৪। উইকেটে এসেছেন লিটন দাস।
বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৮৩ রান।
বল বয়ের ক্যাচ মিস!
বাংলাদেশ: ৪ ওভারে ৩২/০।
ফিশারের করা চতুর্থ ওভারের শেষ বলটি স্ট্রেট দিয়ে ছক্কা মারেন সাইফ। সীমানার বাইরে দাঁড়ানো বল বয় ক্যাচটি নিতে পারলেন না। সহজ ক্যাচ!
এই ওভারে তিনটি ডাবলস ও একটি ছক্কাসহ মোট ১৪ রান দিলেন ফিশার।
সাইফ ১৩ বলে ১৭ ও তানজিদ ১১ বলে ১১ রানে অপরাজিত।
রানের চাকা আটকানোর চেষ্টা
বাংলাদেশ: ৩ ওভারে ১৮/০।
তৃতীয় ওভারে ৩ রান দিলেন নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি পেসার বেন লিস্টার। ভালো বোলিং করেছেন।
সাইফ ১০ বলে ৯ ও তানজিদ ৮ বলে ৭ রানে অপরাজিত।
অভিষেকে ভালো শুরু ফিশারের
বাংলাদেশ: ২ ওভারে ১৫/০।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে টি–টুয়েন্টি অভিষেকে নিজের প্রথম ওভারে ৪ রান দিলেন পেসার ম্যাথু ফিশার। তাঁকে একটি চার মারেন সাইফ।
সাইফ ৯ বলে ৯ ও তানজিদ ৩ বলে ৪ রানে অপরাজিত।
শরীফুলের মতোই শুরু স্মিথের
বাংলাদেশ: ১ ওভারে ১১/০।
দেশের হয়ে টি–টুয়েন্টি অভিষেকে শুরুটা ভালো হলো না পেসার নাথান স্মিথের। নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে বাংলাদেশের পেসার শরীফুল যেমন ১১ রান দিয়েছিলেন, বাংলাদেশের ইনিংসে স্মিথও তেমনি ১১ রান দিলেন। শরীফুলের মতোই দুটি ওয়াইড দিয়েছেন স্মিথ।
স্মিথের শেষ বলে তানজিদের ক্যাচ ছাড়েন ইশ সোধি। চার হয় সেটি। ওভারের দ্বিতীয় বলেও একটি চার মারেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান।
রিশাদ যা বললেন
নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষ হওয়ার পর মাঠ ছেড়ে যাওয়ার সময় সম্প্রচার চ্যানেলের সঙ্গে কথা বলেন রিশাদ হোসেন। তিনি বলেন, খেলার মাঝে বৃষ্টি হওয়ায় উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলাদেশ সহজেই এই রান তাড়া করতে পারবে।
১৮২ রানে থামল নিউজিল্যান্ড
রিপনের দুর্ভাগ্য, উইকেপ পেতে পেতেও পেলেন না। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে তাঁর বলে ক্যাচ তুলেছিলেন ক্লার্কসন, হাতে জমিয়ে রাখতে পারেননি রিশাদ।
বাংলাদেশের পাঁচ বোলারের মধ্যে রিপনই শুধু উইকেটশূন্য থাকলেন। তবে শেষ ওভারে ভালো বোলিং করেছেন বলেই নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানেরা ৬ রানের বেশি তুলতে পারেননি। ৪ ওভারে ৩৯ রান দিয়েছেন রিপন।
নিউজিল্যান্ড ইনিংস: ২০ ওভারে ১৮২/৬ (ক্লিভার ৫১, ক্লার্ক ৫১, কেলি ৩৯, ক্লার্কসন ২৭*; রিশাদ ২/৩২, মেহেদী ১/৩১, শরীফুল ১/৩৬, তানজিম ১/৪০)।
টসে হেরে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড শরীফুলের প্রথম ওভার থেকেই তোলে ১১ রান। দ্বিতীয় ওভারে হৃদয়ের সরাসরি থ্রোয়ে রবিনসন রানআউট হওয়ার পরও সেই গতি থামেনি। ৬ ওভারে ৬১ আর দশ ওভারে ১০০ রান তুলেছে দলটি।
এর মধ্যে দশম ওভারে রিশাদের বলে ক্লিভার আউট হলে রানের গতি ধীর হয়ে পড়ে। ১১ থেকে ১৫তম ওভারে দলটি মাত্র ৩০ রান যোগ করতে হারায় আরও ৪ উইকেট। শেষ পাঁচ ওভারে অবশ্য আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে ১ উইকেটে ৫২ রান যোগ করে সফরকারীরা।
কেলি ফিরলেন শরীফুলের বলে
নিউজিল্যান্ড: ১৭.৫ ওভারে ১৬২/৬।
আগের বলেই চার মেরেছেন। আবার মারতে গিয়ে টাইমিংয়ের গড়বড়ে ক্যাচ তুলেছেন নিক কেলি। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ফিরলেন শর্ট লেগে তানজিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ২৭ বলে ৩৯ রান করেছেন তিনি।
কেলিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ দলের চতুর্থ বোলার হিসেবে উইকেটশিকারীর খাতায় নাম লিখিয়েছেন শরীফুল।
আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ
আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়ে গেল খেলা। ঝোড়ো বাতাসও আছে। তবে এখনও বৃষ্টি নামেনি। মাঠের কোথাও কাভারও আনা হয়নি। ফ্লাডলাইট অবশ্য জ্বলছে। দুই দলের খেলোয়াড়েরা মাঠ ছেড়ে ডাগআউটে গিয়ে বসেছেন।
খেলা বন্ধের আগে নিউজিল্যান্ড ১৬.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫১ রান করেছে।
মেহেদীর শিকার ফক্সক্রফট
নিউজিল্যান্ড: ১৫ ওভারে ১৩০/৫।
এবার উইকেটশিকারীর তালিকায় মেহেদী হাসান। এগিয়ে এসে খেলতে চেয়েছিলেন ফক্সক্রফট, বল তাঁর থাই প্যাড ছুঁয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। ১৫তম ওভারের শেষ বলে পঞ্চম উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
এবার উইকেট তানজিমের
নিউজিল্যান্ড: ১২.৩ ওভারে ১১৭/৪।
দ্বিতীয়, তৃতীয় উইকেটের পথ ধরে চলে এল চতুর্থ উইকেটও। তানজিমের বলে সুইপার কাভারে ক্যাচ দিয়েছেন বেভন জ্যাকবস। সেখানে থাকা ফিল্ডার রিশাদকে এদিক–ওদিক একটুও নড়তে হয়নি। সহজ ক্যাচ। সর্বশেষ ১৮ বলে তৃতীয় উইকেট হারাল নিউজিল্যান্ড।
ব্যাটিংয়ে অধিনায়ক নিক কেলির সঙ্গে ডিন ফক্সক্রফট।
ক্লার্ককেও ফেরালেন রিশাদ
নিউজিল্যান্ড: ১১.৪ ওভারে ১১০/৩।
ক্লিভারের পর ফিফটি করা আরেকটি ব্যাটসম্যান ক্লার্ককেও আউট করেছেন রিশাদ হোসেন।
রিভার্স সুইপ খেলেছিলেন ক্লার্ক, ঠিকঠাক টাইমিং না হওয়ায় বল ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে হৃদয়ের হাতে সহজ ক্যাচ। ৩৭ বলে ৫১ রান করেছেন ক্লার্ক।
রিশাদের ঘটনাবহুল ওভার
নিউজিল্যান্ড: ১০ ওভারে ১০০/২।
ক্যাচ মিস, বাউন্ডারি, ফিফটি অতঃপর আউট—সবই দেখা গেল রিশাদের করা দশম ওভারের প্রথম ৪ বলের মধ্যে।
প্রথম বলে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েছিলেন ক্লার্ক। বল হাতে নিয়েও রাখতে পারেননি সাইফ।
দ্বিতীয় বলে চার মেরেছেন ক্লিভার, তৃতীয় বলেও চার। টানা দুই চারে তিনি ছুঁয়েছেন ফিফটি। তবে চতুর্থ বলে খেলা ঘুরে গেল।
রিভার্স র্যাম্প শটের মতো খেলতে চেয়েছেন রবিনসন। বল ব্যাট ফাঁকি দিয়ে প্যাডে। এলবিডব্লিউর আবেদন আঙুল তুলেছেন আম্পায়ার। এতোটাই নিশ্চিত আউট যে, রিভিউ নেওয়ার চেষ্টাও করেননি রবিনসন।
ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান ফিরেছেন ২৮ বলে ৫১ রানে। ভেঙেছে ৮৮ রানের জুটি, নিউজিল্যান্ড ৯৯ রানে হারিয়েছে দ্বিতীয় উইকেট।
নিউজিল্যান্ডের ৫০
নিউজিল্যান্ড: ৬ ওভারে ৬১/১।
শুরুতে উইকেট হারালেও নিউজিল্যান্ডের রান উঠছে দ্রুত গতিতেই। ক্লার্ক ও ক্লিভার মিলে দলকে পঞ্চাশে পৌঁছে দিয়েছেন ৫.১ ওভারেই। পাওয়ার প্লের মধ্যে হয়ে গেছে দুজনের জুটির ফিফটিও।
ক্লার্ক ১৮ বলে ২৫ আর ক্লিভার ১৭ বলে ৩৩ রানে ব্যাট করছেন।
রান আউটে প্রথম উইকেট
নিউজিল্যান্ড: ১.২ ওভারে ১১/১।
দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে উইকেটের দেখা পেয়ে গেল বাংলাদেশ। উইকেটটা অবশ্য কোনো বোলার নেননি।
তানজিম সাকিবের বল সফট হ্যান্ডে খেলেই সিঙ্গেলের জন্য ছুটেছেন ক্লার্ক, সাড়া দিয়েছেন রবিনসনও। তাওহিদ হৃদয় বল কুড়িয়েই সরাসরি থ্রোয়ে স্টাম্প ভেঙেছেন। রবিনসন তখনও বেশ দূরেই। ১১ রানে প্রথম উইকেট হারাল নিউজিল্যান্ড।
ওই ১১ রানই এসেছে শরীফুল ইসলামের প্রথম ওভারে। দুটি চার মেরেছেন ক্লার্ক।
ফিরলেন ‘বল বয়’রা
খেলা শুরুর আগে জাতীয় সঙ্গীতে গলা মিলিয়েছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। তাদের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন ‘বল বয়’রা। দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের ক্রিকেটে বল বয়দের দেখা মিলল। সাদা ট্রাউজার আর আকাশি রঙের জার্সি পরা খুদে ক্রিকেটাররা বাউন্ডারির বাইরে থাকবেন বল কুড়ানোর জন্য।
দর্শকও কি ফিরছেন?
ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি হয়েছিল চট্টগ্রামের এই মাঠে। তখন দর্শক ছিল খুবই কম। সেই তুলনায় টি–টুয়েন্টিতে খেলা শুরুর আগেই দর্শক বেড়েছে। তবে গ্যালারির বেশির ভাগ অংশই এখনও ফাঁকা
রিপনের ‘নতুন অভিষেক’
বাংলাদেশের হয়ে খেলতে নামছেন রিপন মন্ডল। ২৩ বছর বয়সী এই পেসারের জন্য এটিকে ‘নতুন অভিষেক’ বলা যায়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছিলেন।
ভারতে ওয়ানডে বিশ্বকাপের মধ্যে চীনে গেমস চলায় সেখানে পাঠানো হয়েছিল জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের। তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচের মর্যাদা থাকায় এশিয়ান গেমসেই ‘আন্তর্জাতিক অভিষেক’ হয়ে যায় রিপনসহ কয়েকজন ক্রিকেটারের।
তিন পেসার, দুই স্পিনার
লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান, শরীফুল ইসলাম ও রিপন মন্ডল।
টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
টসে জিতেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আগে বোলিং করবেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে টসে নেমেছেন নিক কেলি। ৫ টি–টুয়েন্টি খেলা এই ব্যাটসম্যানকে আচমকাই অধিনায়কত্ব করতে হচ্ছে। গতকালের অনুশীলনে পায়ে চোট পাওয়ায় সিরিজের প্রথম ম্যাচের একাদশে নেই অধিনায়ক টম ল্যাথাম।
টি–টুয়েন্টি সিরিজে স্বাগত
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর এবার টি–টুয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় ওয়ানডে যে মাঠে হয়েছে, সেই চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামেই আজ প্রথম টি–টুয়েন্টি।
চট্টগ্রাম থেকে প্রথম আলোর প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, গতকাল রাতে ও আজ সকালে ভারি বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে। কিন্তু গত কয়েক ঘণ্টা আবহাওয়া ছিল রৌদ্রজ্জ্বল। যদিও টসের মিনিট দশেক আগে আবার মেঘে ঢেকে গেছে আকাশ।