- ভবানীপুরে শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা
- ভবানীপুরেও এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী, গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- বিজেপির মূল্যায়নে পশ্চিমবঙ্গে জয়ের ৫ কারণ
- বাংলায় পদ্ম ফুটেছে, মানুষের স্বপ্ন পূরণে সবকিছু করবে বিজেপি: মোদি
- বাংলার মানুষ অনুপ্রবেশকারী ও তাদের স্বার্থরক্ষাকারীদের শিক্ষা দিয়েছে: অমিত শাহ
- মমতা-শুভেন্দুর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করল নির্বাচন কমিশন
- যে ৫ কারণে পশ্চিমবঙ্গে বড় জয়ের পথে বিজেপি
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে ‘চোর-চোর’ স্লোগান, উত্তপ্ত পরিস্থিতি
- পশ্চিমবঙ্গে জয়ের পথে বিজেপি, কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী
- ভোট গণনার মধ্যে কোচবিহারে বিজেপি–তৃণমূল সংঘর্ষ
- তামিলনাড়ুতে থালাপতির দল, কেরালায় কংগ্রেস, আসাম–পদুচেরিতে এগিয়ে এনডিএ
- মমতার বাড়ির বাইরে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান বিজেপির কর্মীদের
- পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৯৩ আসনে, তৃণমূল ৯৬ আসনে
- ওয়েট অ্যান্ড সি...আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব: মমতা
- সামাজিক মাধ্যমে ‘জরুরি বার্তা’ দিলেন মমতা
- ভবানীপুরে বড় ব্যবধানে এগিয়ে মমতা
- তামিলনাড়ুতে থালাপতির দল, কেরালায় ইউডিএফ, আসাম–পদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে
- পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কর্মীদের স্বপ্ন বাস্তব হতে যাচ্ছে: শমীক ভট্টাচার্য
- পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৯৫ আসনে, তৃণমূল ৯৫ আসনে
- পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো বিজেপির সরকার গঠনের সম্ভাবনা
- পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৭২ আসনে, তৃণমূল ১১২ আসনে
- তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম, পদুচেরিতে কারা এগিয়ে
- পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করবে বিজেপি: শুভেন্দু অধিকারী
- এবার ভবানীপুরে মমতা এগিয়ে গেলেন
- ভবানীপুর আসনে মমতা পিছিয়ে
- কোন রাজ্যে কারা এগিয়ে
- পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৫৮ আসনে, তৃণমূল ১১৯ আসনে
- পশ্চিমবঙ্গে ইভিএমের ভোট গণনা শুরু
- পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ৪০ আসনে এগিয়ে, তৃণমূল ৩৯ আসনে
- কড়া নিরাপত্তায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু
ভবানীপুরে শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা
হেরে গেলেন তৃণমূল প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারী ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে জিতছেন।
ভবানীপুর আসনে মুখোমুখি হয়েছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শেষ হাসি হাসলেন শুভেন্দু।
শুভেন্দু এবার ভবানীপুর ছাড়াও নন্দীগ্রাম আসনে নির্বাচন করেন। দুটি আসনেই জিতে গেলেন এই বিজেপি নেতা।
অন্যদিকে এবার একটিমাত্র আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা। হেরে যাওয়ায় এবার বিধানসভায় যাওয়া হচ্ছে না তাঁর।
ভবানীপুর আসনের ভোট গণনা হয় দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে। বিকেলের পর গণনাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন মমতা। গণনার একপর্যায়ে মমতার চেয়ে শুভেন্দু এগিয়ে যান। এরপর গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা অভিযোগ করেন, এবারের নির্বাচনে ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, গণনা অনেক বাকি। জয় আমাদেরই হবে।’
নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই প্রসঙ্গে তিনি দলীয় প্রার্থী ও কাউন্টিং এজেন্টদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। মমতা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে আসন লুট করে ফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। এই বক্তব্য দেওয়ার পরপরই তিনি কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কালীঘাটের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম।
ভবানীপুরেও এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী, গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ কলকতার সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে এই আসনের ভোট গণনা চলছে। দিনের শুরুর দিকে গণনায় এগিয়ে ছিলেন মমতা। কিন্তু বিকেলের গড়াতে গড়াতে ব্যবধান কমাতে থাকেন শুভেন্দু।
এই পরিস্থিতিতে গণনাকেন্দ্র ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মমতা ও শুভেন্দু দুজনই গণনাকেন্দ্রে হাজির হন। নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দুই প্রার্থীরই মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে।
ভোটগণনার একপর্যায়ের সন্ধ্যার পর শুভেন্দু মমতার চেয়ে বেশি ভোটে এগিয়ে যান। এ সময় মমতা ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যান। স্থানীয় সময় রাত পৌনে আটটায় শুভেন্দু তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মমতার চেয়ে ২৯৫৬ ভোটে এগিয়ে ছিলেন।
বিদায়ী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর ছাড়াও নন্দীগ্রাম আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নন্দীগ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থীর চেয়ে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন শুভেন্দু।
এই নন্দীগ্রামে গত বিধানসভা নির্বাচনেও আলোচ্য ছিল। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রামে লড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা হেরেছিলেন ১,৯৫৬ ভোটে।
এবার মমতা শুধু ভবানীপুর আসন থেকেই নির্বাচন করছেন। হেরে গেলে বিধানসভায় যাওয়া হবে না বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতার।
সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম।
বিজেপির মূল্যায়নে পশ্চিমবঙ্গে জয়ের ৫ কারণ
আর ঠেকিয়ে রাখতে পারলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; বিধানসভার নির্বাচনে গেরুয়া–ঝড়ে তছনছ হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের সাজানো বাগান।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা ও ফল ঘোষণা চলছে আজ সোমবার। সন্ধ্যা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফল জানা না গেলেও এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে, তৃণমূলের ‘দিদি’র শাসনের অবসান ঘটছে এই রাজ্যে, কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির দল গড়তে যাচ্ছে সরকার। বিজেপি মনে করে, পাঁচ কারণে এই জয়।
বাংলায় পদ্ম ফুটেছে, মানুষের স্বপ্ন পূরণে সবকিছু করবে বিজেপি: মোদি
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের আভাস পাওয়ার পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলায় পদ্ম ফুটেছে। ২০২৬ সালের এই নির্বাচন ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের শক্তির জয় হয়েছে। বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষকে কুর্নিশ করছি।’
মোদি বলেছেন, ‘বাংলার মানুষ বিপুল ভোটে বিজেপিকে জয়ী করেছে। আমি তাঁদের আশ্বাস দিচ্ছি, বিজেপি মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবকিছু করবে। আমরা এমন এক সরকার দেব, যা সমাজের সব স্তরের মানুষের সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে।’
বাংলার মানুষ অনুপ্রবেশকারী ও তাদের স্বার্থরক্ষাকারীদের শিক্ষা দিয়েছে: অমিত শাহ
পশ্চিমবঙ্গের জনগণের উদ্দেশে অনুপ্রবেশকারী ও তাদের স্বার্থরক্ষাকারীদের শিক্ষা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহ।
অমিত শাহ আজ সোমবার এক এক্স বার্তায় বলেছেন, বাংলার মানুষ অনুপ্রবেশকারী ও তাদের স্বার্থরক্ষাকারীদের এমন শিক্ষা দিয়েছে, যা তোষণের রাজনীতি করা দলগুলো কোনোদিন তা ভুলতে পারবে না। বাংলা যে আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের ওপর এই বিশ্বাস রেখেছে, বিজেপি অবশ্যই তা পূরণ করবে।
পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, ‘শূন্য থেকে আজ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছানোর এই কঠিন যাত্রায় যেসব কর্মী প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও আদর্শের পথ থেকে একচুলও সরেননি, সেই সকল কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই।’
এক্স বার্তায় অমিত শাহ লিখেছেন, চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মতো মহাপুরুষদের পবিত্র ভূমি বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিজেপি দিন-রাত এক করে দেবে।
মমতা-শুভেন্দুর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করল নির্বাচন কমিশন
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনার টানটান উত্তেজনার মাঝেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। নিয়মানুযায়ী গণনাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি না থাকায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মোবাইল ফোন জমা নেওয়ার নির্দেশ দেয় কমিশন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তাঁদের দুজনের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই একই গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সেখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী বা তাঁর নির্ধারিত এজেন্ট ছাড়া অন্য কারও গণনাকেন্দ্রে থাকার অনুমতি নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী না হওয়ায় তাঁকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে ভবানীপুর আসনের ভোটগণনা চলছে। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মমতা ও শুভেন্দু।
সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম।
যে ৫ কারণে পশ্চিমবঙ্গে বড় জয়ের পথে বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা এখনও চলছে। সন্ধ্যায় ছয়টার দিকে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিজেপি ২০২ আসনে এবং তৃণমূল কংগ্রেস ৮৫ আসনে এগিয়ে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই প্রবণতায় উচ্ছ্বসিত বিজেপি। এই সম্ভাব্য জয়ের পেছনে বিজেপি মূল পাঁচটি কারণকে চিহ্নিত করেছেন। এগুলো হলো:
নারী ভোট
তৃণমূলকে ‘নারী-বিরোধী’ প্রমাণে বিজেপির প্রচার এবং নারী সংরক্ষণ বিল পাসের প্রভাব সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপকভাবে দাগ কেটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে রাজ্যে নারীদের ভোট অন্তত ৫ শতাংশ গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকেছে।
সরকারি কর্মী ও বকেয়া ডিএ
সপ্তম বেতন কমিশন চালু, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানো এবং শূন্যপদ পূরণের প্রতিশ্রুতি রাজ্যের প্রায় ২০ থেকে ৫০ লাখ সরকারি কর্মচারী ও সরকারি চাকরি প্রত্যাশী তরুণদের মন জয় করতে সফল হয়েছে।
কেন্দ্র-নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের ‘গ্যারান্টি’ এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের আশ্বাস প্রথমবার তরুণ ভোটার এবং মধ্যবিত্ত ভোটারদের ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করেছে।
নিরাপত্তা ও সরকার-বিরোধী ক্ষোভ
আর জি কর কাণ্ডের প্রভাব এবং রাজ্যের শাসকদলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ বিজেপির পালে হাওয়া জুগিয়েছে। পাশাপাশি, নজিরবিহীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সাধারণ মানুষ এবার নির্ভয়ে ভোট দিতে পেরেছেন।
স্বচ্ছ ভোটার তালিকা ও ‘বহিরাগত’ ইস্যু
স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশনের (এসআইআর) মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধন করে প্রায় ২৭ লাখ ‘বহিরাগত’ ও ভুয়া নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির মতে এর ফলে প্রকৃত ভোটাররা সঠিকভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে ‘চোর-চোর’ স্লোগান, উত্তপ্ত পরিস্থিতি
পশ্চিমবঙ্গে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনা কেন্দ্রের সামনে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার কিছু পরে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণনা কেন্দ্রে পৌঁছালে তাঁর গাড়ির সামনে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।
জানা গেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌঁছানোর আগেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে বিজেপি কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। মমতা সেখানে পৌঁছানো মাত্রই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি কর্মীরা তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে শুরু করেন।
এর আগে, গণনা কেন্দ্রের অদূরে একটি পেট্রল পাম্পে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের একটি ছোট জমায়েত ছিল। সেখানে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। পরে পুলিশ তৃণমূল কর্মীদের সেখান থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেয়। যদিও পুলিশি নির্দেশের সময় সুব্রত বক্সী সেখানে ছিলেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলে পৌঁছে যান। অভিযোগ উঠেছে, তারা তৃণমূল কর্মীদের পেতে রাখা চেয়ার ভাঙচুর করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ভবানীপুর আসনের ভোটগণনা চলছে। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তৃণমূলের প্রধান ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।
সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম।
পশ্চিমবঙ্গে জয়ের পথে বিজেপি, কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো জয়ের পথে রয়েছে বিজেপি। এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টা) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৯৪ আসনে। আর ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ৯৪ আসনে এগিয়ে। অর্থাৎ বড় পরাজয়ের মুখে আছে তৃণমূল।
২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেলা শেষ। এ রাজ্যে বিজেপিই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।
রাজ্য বিজেপির নেতা–কর্মীরা বিজয় উদ্যাপন করছেন। জয়ের পথে থাকা বিজেপি সরকার গঠন করলে কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী, সে আলোচনাও শুরু হয়ে গেছে।
এ নির্বাচনের আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার জোর দিয়ে বলেছিলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন বাঙালিই হবেন।
বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী কে হতে পারেন, এ প্রশ্নের উত্তরে সম্ভাব্য কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। তাঁরা হলেন বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, সাবেক সাংবাদিক ও রাজ্যসভার সাবেক সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত প্রমুখ।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ভোট গণনার মধ্যে কোচবিহারে বিজেপি–তৃণমূল সংঘর্ষ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার মধ্যে আজ সোমবার দুপুরে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
সবশেষ অশান্তির ঘটনা ঘটে, কোচবিহারের দিনহাটায়। সেখানে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
দিনহাটায় বিজেপির প্রার্থী অজয় রায়, তৃণমূলের উদয়ন গুহ। গণনা করা ভোটের সবশেষ প্রবণতায় দেখা যায়, অজয় রায় ১০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তামিলনাড়ুতে থালাপতির দল, কেরালায় কংগ্রেস, আসাম–পদুচেরিতে এগিয়ে এনডিএ
ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে স্থানীয় সময় আজ সোমবার বেলা ২টা ৫২ মিনিট নাগাদ থালাপতি বিজয়ের দল তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এগিয়ে ১৩৭ আসনে। আর বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ৪৩ আসনে।
কেরালায় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) এগিয়ে ৮৭ আসনে। জয় ১৭ আসনে। আর লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এলডিএফ) এগিয়ে ২৭ আসনে। জয় ৮ আসনে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ৩টি আসনে।
আসামে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ৯৩ আসনে। আর আইএনসি এগিয়ে ২৭ আসনে।
পদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে ১১ আসনে। জয় ১২ আসনে। আর ডিএমকে-কংগ্রেস জোট এগিয়ে ১ আসনে। জয় ২ আসনে।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
মমতার বাড়ির বাইরে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান বিজেপির কর্মীদের
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পরবর্তী সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। আজ সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোট গণনায় এমন ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে। রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস যখন পরাজয়ের মুখে, তখন বিজেপির কর্মীরা রাজ্যের রাস্তায় নিজেদের উপস্থিতি জোরালোভাবে প্রকাশ করতে শুরু করেছেন।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনের ফলাফলের এই প্রবণতার মধ্যে কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের বাইরে আজ বিজেপির কর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৯৩ আসনে, তৃণমূল ৯৬ আসনে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় সোমবার দুপুর ২টা) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৯৩ আসনে। আর তৃণমূল ৯৬ আসনে এগিয়ে।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এই নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধীদল বিজেপি পেতে যাচ্ছে বড় জয়।
গণনা করা ভোটের যে প্রবণতা, তা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকলে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করবে বিজেপি।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ওয়েট অ্যান্ড সি...আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব: মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের প্রার্থী, এজেন্ট, নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘ওয়েট অ্যান্ড সি, ওয়াচ। আমরা সবাই আপনাদের সাথে আছি। আপনারা কেউ ভয় পাবেন না। নিশ্চিন্তে থাকুন, আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।’
আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে মমতা এক ‘জরুরি বার্তায়’ এসব কথা বলেন। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি ভিডিওটি পোস্ট করেন।
আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। এর মধ্যে মমতা ‘জরুরি বার্তা’ দিলেন। এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় দুপুর পৌনে ২টা) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৯৩ আসনে। আর তৃণমূল ৯৬ আসনে এগিয়ে।
মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। মমতা বলেন, তিনি আগেই বলেছিলেন, বিজেপির পরিকল্পনা হলো, তাদের আসনগুলোর ফলাফল আগে দেখানো হবে। আর তৃণমূলেরগুলো পরে। তৃণমূলের নেতা–কর্মীদের অত মন খারাপ করার কারণ নেই। তিনি আগেই বলেছিলেন, সূর্যাস্তের পরে তৃণমূলই জিতবে।
সামাজিক মাধ্যমে ‘জরুরি বার্তা’ দিলেন মমতা
ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও পোস্ট করে ‘জরুরি বার্তা’ দিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে মমতা ভিডিওটি পোস্ট করেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার মধ্যে ‘জরুরি বার্তা’ দিলেন তিনি।
‘জরুরি বার্তায়’ মমতা তাঁর দলের প্রার্থীদের, এজেন্টদের ভোট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যেতে অনুরোধ করেন। তিনি তাঁর বার্তায় বিজেপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন।
মমতা বলেন, তৃণমূল যে আসনগুলোতে এগিয়ে আছে, সেগুলো বলা হচ্ছে না। পুরোপুরি মিথ্যা খবর খাওয়ানো হচ্ছে।
ভবানীপুরে বড় ব্যবধানে এগিয়ে মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ভবানীপুর আসনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। এখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।
ইভিএমে পঞ্চম দফার গণনা শেষে এখানে মমতা ২৫ হাজার ৯৪২ ভোট পেয়েছেন। আর শুভেন্দু পেয়েছেন ৯ হাজার ২৩৬ ভোট। ব্যবধান ১৬ হাজার ৭০৬ ভোট।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তামিলনাড়ুতে থালাপতির দল, কেরালায় ইউডিএফ, আসাম–পদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে
ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে স্থানীয় সময় আজ সোমবার বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটে থালাপতি বিজয়ের দল তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এগিয়ে ১৫৫ আসনে। আর বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ৫৭ আসনে।
কেরালায় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) এগিয়ে ৭৬ আসনে। আর লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এলডিএফ) এগিয়ে ৪২ আসনে। আর বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ৫টি আসনে।
আসামে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ৮৩ আসনে। আর আইএনসি এগিয়ে ২৯ আসনে।
পদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে ১৫ আসনে। আর ডিএমকে-কংগ্রেস জোট এগিয়ে ৩ আসনে
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কর্মীদের স্বপ্ন বাস্তব হতে যাচ্ছে: শমীক ভট্টাচার্য
‘বিজেপি কর্মীদের স্বপ্ন এখন বাস্তব হতে যাচ্ছে।’ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির প্রধান শমীক ভট্টাচার্য আজ সোমবার এই মন্তব্য করেন।
রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ভোট আজ গণনা করা হচ্ছে। গণনা করা ভোটের প্রাথমিক প্রবণতায় বিরোধী দল বিজেপি এগিয়ে আছে। পিছিয়ে আছে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল। এই প্রেক্ষাপটে শমীক ভট্টাচার্য বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের কাছে এমন কথা বলেন।
এই নির্বাচনের ফলাফলের মধ্য দিয়ে রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠনের ব্যাপারে ‘আত্মবিশ্বাসী’ শমীক ভট্টাচার্য।
তথ্যসূত্র: এনআই
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৯৫ আসনে, তৃণমূল ৯৫ আসনে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যার দিক দিয়ে ক্ষমতাসীন তৃণমূলের সঙ্গে ব্যবধান বাড়িয়ে চলছে বিরোধীদল বিজেপি।
এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৯৫ আসনে। আর তৃণমূল ৯৫ আসনে এগিয়ে।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। অনিয়মের অভিযোগে একটি আসনের ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। তাই আজ ২৯৩ আসনে ভোট গণনা চলছে।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো বিজেপির সরকার গঠনের সম্ভাবনা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো বিজেপির সরকার গঠনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
এই বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টা) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপির এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ১৮২। অন্যদিকে, রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলের এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ১০৯।
২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যে দাবি করেছেন, এই রাজ্যে তাঁর দল বিজেপিই সরকার গঠন করবে।
তথ্যসূত্র: এএনআই, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৭২ আসনে, তৃণমূল ১১২ আসনে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৭২ আসনে। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল ১১২ আসনে এগিয়ে। অন্যদিকে, কংগ্রেস এগিয়ে একটি আসনে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার আসনসংখ্যা ২৯৪। এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন হবে ১৪৮ আসনে জয়।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম, পদুচেরিতে কারা এগিয়ে
তামিলনাড়ুতে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৬৬ আসনে এগিয়ে আছে ডিএমকে। আর টিভিকে এগিয়ে আছে ৬১ আসনে। এ রাজ্যে এনডিএ জোট এগিয়ে আছে ৩৮ আসনে।
কেরালায় এগিয়ে আছে ইউডিএফ। দলটি ৫৯ আসনে এগিয়ে আছে। আর এলডিএফ এগিয়ে আছে ৪৭ আসনে। এনডিএ জোট এগিয়ে আছে ৬ আসনে।
আসামে এনডিএ এগিয়ে আছে ৫০ আসনে। কংগ্রেস জোট এগিয়ে আছে ৩৫ আসনে।
কেন্দ্রশাসিত পদুচেরিতে এনডিএ পাঁচটি আসনে এগিয়ে আছে। ডিএমকে ও কংগ্রেস জোট এগিয়ে আছে তিনটি আসনে।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করবে বিজেপি: শুভেন্দু অধিকারী
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এই রাজ্যে তাঁর দল বিজেপি সরকার গঠন করবে।
আজ সোমবার শুভেন্দু অধিকারী এই আশা প্রকাশ করেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা করা হচ্ছে আজ। গণনা করা ভোটের প্রাথমিক প্রবণতা অনুযায়ী, রাজ্যে বিজেপি এগিয়ে আছে। পিছিয়ে আছে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল। বিজেপি এগিয়ে আছে ১৬৮ আসনে। তৃণমূল এগিয়ে ১১৪ আসনে।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও পিটিআই
এবার ভবানীপুরে মমতা এগিয়ে গেলেন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার এখনকার প্রবণতায় ভবানীপুর আসনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে আছেন। এখানে পিছিয়ে আছেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
অবশ্য এর আগে ভবানীপুরে মমতা পিছিয়ে ছিলেন। এগিয়ে ছিলেন শুভেন্দু। এখন আবার মমতা এগিয়ে গেলেন।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ভবানীপুর আসনে মমতা পিছিয়ে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় ভবানীপুর আসনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিছিয়ে আছেন। এগিয়ে আছেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
কোন রাজ্যে কারা এগিয়ে
তামিলনাড়ুতে ৩২ আসনে এগিয়ে আছে ডিএমকে। আর এনডিএ এগিয়ে আছে ২ আসনে।
কেরালায় এগিয়ে আছে ইউডিএফ ও এলডিএফ। এই দুটি দল এগিয়ে আছে ৩৮ আসন। আর এনডিএ পেয়েছে ৪ আসন।
আসামে এনডিএ এগিয়ে আছে ১২ আসনে।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৫৮ আসনে, তৃণমূল ১১৯ আসনে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে ১৫৮ আসনে, তৃণমূল ১১৯ আসনে।
২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য যেকোনো দলের প্রয়োজন হবে ১৪৮ আসনে জয়।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। অনিয়মের অভিযোগে একটি আসনের ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। তাই আজ ২৯৩ আসনে ভোট গণনা চলছে।
স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) কলকাতাসহ ২৩ জেলায় স্থাপিত ৭৭টি কেন্দ্রে একযোগে এই ভোট গণনা শুরু হয়।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
পশ্চিমবঙ্গে ইভিএমের ভোট গণনা শুরু
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ইভিএমের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনাও চলছে।
স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ইভিএমের ভোট গণনা শুরু হয়।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ৪০ আসনে এগিয়ে, তৃণমূল ৩৯ আসনে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে রয়েছে ৪০ আসনে। অন্যদিকে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩৯ আসনে।
স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) ভোট গণনা শুরু হয়।
স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার মধ্যে জয়–পরাজয়ের গতিপ্রকৃতি জানা যেতে পারে। তবে গণনা পুরোপুরি শেষ হতে কোনো কোনো কেন্দ্রে রাতও হয়ে যেতে পারে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার
কড়া নিরাপত্তায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু
কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) ভোট গণনা শুরু হয়।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। অনিয়মের অভিযোগে একটি আসনের ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। তাই আজ ২৯৩ আসনে ভোট গণনা চলছে। কলকাতাসহ ২৩ জেলায় স্থাপিত ৭৭টি কেন্দ্রে একযোগে এই ভোট গণনা শুরু হয়।
প্রথমে গণনা করা হচ্ছে পোস্টাল ব্যালটের ভোট। এরপর গণনা করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নেওয়া ভোট।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার